WELCOME TO OUR BSKSP

সংগঠনের পাঁচ দফা দাবী:

১। আউট সোর্সিং নিয়োগপ্রথা বাতিল: বিগত কয়েক বছর যাবত কতিপয় অতি উৎসাহি আমলাদের ষড়যন্ত্রে কর্মচারী নিধনের প্রকৃয়া হিসেবে আউটসোর্সিং এর নামে এক প্রকার ক্রীতদাস প্রথা চালু হয়েছে। এতে বিভিন্ন দফতরে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর শূন্য পদে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কর্মচারী নিয়োগ করা হচ্ছে। এই অবস্থার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তা বন্ধ করার জন্য কঠোর কর্মসূচী পালনের প্রস্তাব করা হয়।

২। পাহাড়ী ভাতা, পর্যটন ও দূর্যোগ ভাতা: দুর্গমঅরণ্যে পাহাড়ী অঞ্চলসহ হাওড়, বাওর, সামুদ্রিক অঞ্চলে কর্মরতদের প্রাকৃতিক বিপর্যয় এর মুখে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয় বিধায় তাদের জন্য মূল বেতনের ৪০% (সর্বনিম্ন৫০০০/-টাকা) দুর্যোগ ভাতা প্রদানের দাবির বিপরীতে সরকার চলমান ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ পাহাড়ী ভাতা নির্ধারণ করেছে। সভায় দাবিকৃত ৪০ শতাংশ কিংবা নুন্যতম ৫০০০/-(পাঁচ হাজার টাকা) ভাতা প্রদানের দাবি জনানো হয় এছাড়া সাজ পোষাক ভাতা/ঝুঁকি ভাতা/ রেশন সুবিধাঃ গাড়ী চালক ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদেরকে নার্সদের ন্যায় মাসিক বেতনের সাথে ২০০০/- (দুই হাজার টাকা) হারে সাজ পোষাক ভাতা প্রদানের দাবি জানানো হয়। ল্যাব, হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী, টেকনিশিয়ান, গাড়ী চালক, লিফ্টম্যান, ইলেকট্রিশিয়ানসহ সকল টেকনিক্যাল পদ ঝুঁকিপূর্ন কাজে নিয়োজিত কর্মচারীগণকে মূলবেতনের ২০% ঝুঁকি ভাতা প্রদানের প্রস্তাব করা হয়। বিশেষ বিশেষ সরকারি সংস্থার (আর্মি, পুলিশ, বিজিবি, আনসার) সদস্যদের ন্যায় ন্যায্য মূল্যে মানসম্মত রেশন প্রদানের জানানোসহ নিয়োগের ক্ষেত্রে কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য রেলএর ন্যায় ৪০ শতাংশ পোষ্যকোটা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়।

৩। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পূনর্বহালঃ বিদ্যমান টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রত্যাহার করায় কর্মচারী অঙ্গনে চরম হতাশা বিরাজ করছে বিধায় কর্মচারীদের সর্বক্ষেত্রে টাইম স্কেল পূনর্বহাল এবং শতভাগ সিলেকশন গ্রেড প্রদানের জোর দাবি জানানো হয় এছাড়াও গৃহনিমার্ণ ঋণ হিসেবে ব্যাংক কর্মচারীদের ন্যায় স্বল্প সুদে সহজ শর্তে কর্মচারীদের আবাসন সংকট নিরসনের জন্য গৃহনির্মান ঋণ প্রদানের দাবি করা হয়।

৪। পেনশন, গ্র্যাচুয়িটি ও পেনশনের শতকরা হার: মূল বেতনের পেনশন ১০০% এবং গ্র্যাচুয়িটির হার ১ টাকায় ৫০০ টাকা নির্ধারনের প্রস্তাবসহ ৫ বছর চাকুরী হলে ৪০%, ১০ বছর হলে ৬০%, এবং ১৫ বছর হলে ৮০% এবং ২০ বছর চাকুরী হলে ১০০% পেনশন প্রদানের প্রস্তাব করা হয়।

৫। পদবী পরিবর্তন : সমকাজে সমমর্যাদা ও সমবেতন পৃথিবীর সকল দেশে বিদ্যমান। বাংলাদেশেও ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এ ধারা বিদ্যমান ছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে সচিবালয় এবং ক্ষেত্রবিশেষে পদবী পরিবর্তনসহ কিছু পদকে আপগ্রেড করা হয়েছে যেমন স্টেনোগ্রাফার/উচ্চমান সহকারী/শাখা সহকারী ইত্যাদি পদকে ২য় শ্রেণীর পদমর্যাদাসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ইত্যাদি নামকরনকরাসহ উচ্চতর বেতন স্কেল প্রদান করায় সারাদেশে কর্মরত লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারীদের সাথে বৈষম্য ও বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে যা কর্মচারী অঙ্গনে চরম হতাশা ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এক্ষেত্রে সচিবালয়ের মতো অনুরূপ সমতা বিধানের জোরালো প্রস্তাব করা হয়। এছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত ওয়ার্ড সরদার পদবীকে ওয়ার্ড সুপারভাইজার, জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল বিভাগে নলকূপ মেকানিক পদবীকে ওয়াস সুপারভাইজার(ডধঃবৎ ধহফ ঝধহরঃধঃরড়হ যুমরবহব ঝঁঢ়বৎারংড়ৎ), জজ কোর্ট ও জেলা প্রশাসনে কর্মরত প্রসেস সার্ভারদের ৩য় শ্রেণীতে রূপান্তর, খাদ্য বিভাগের দারোয়ান পদবীকে গোডাউন কিপার নামকরণের প্রস্তাব করা হয়।

পদোন্নতিবিহীন পদ (ইষধপশ চড়ংঃ): প্রত্যেক কর্মচারী চাকুরীতে প্রবেশের সময় ভবিষ্যতে উন্নতির আশায় চাকুরী জীবন শুরু করেন। কিন্তু দেখা যায়, সরকারের বিভিন্ন বিভাগে ষ্টেনো-টাইপিষ্ট, লাইব্রেরিয়ান, ডিএমও, কেয়ারটেকার, হোস্টেল সুপার, কম্পাউন্ডার, ড্রেসার, এ্যাটেনডেন্ট ইত্যাদি পদগুলোতে কোন পদোন্নতি দেয়া হয় না। ফলে উল্লেখিত পদধারী কর্মচারীদের জীবন এক প্রকার হতাশা নেমে আসে। এক্ষেত্রে পদোন্নতিবিহীন পদ(ইষধপশ চড়ংঃ)গুলোতে পদোন্নতি দেয়ার প্রস্তাব করা হয়।


Gallery Images

Saminar Image

Saminar Image

Saminar Image

Saminar Image


Bangladesh Govt. Employees Coordination Council

Address

৩১/এফ (২য় তলা),

তোপখানা রোড, ঢাকা ।